Saturday, November 7, 2020

সহবাসের নাম ধর্ষণঃ আশ্চর্য দুমুখো শব্দ (১)

 আত্মজ উপাধ্যায়

 মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র (ইউডিএইচআর)Universal Declaration of Human Rights (UDHR) (অনুচ্ছেদ ২৩(Article 23.)) এ উল্লেখ করেছে যে

(1) প্রত্যেকেরই কাজ করার অধিকার রয়েছে, নিখরচায় কর্মসংস্থান বেছে নেওয়া, কাজের ন্যায়সঙ্গত ও অনুকূল অবস্থা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে সুরক্ষার অধিকার রয়েছে।
(২) প্রত্যেককে, কোনও বৈষম্য ছাড়াই সমান কাজের জন্য সমান বেতনের অধিকার রয়েছে।
(৩) যে কেউ কাজ করে তার নিজের এবং তার পরিবারের জন্য মানব মর্যাদার অধিকারী একটি অস্তিত্ব নিশ্চিত করার এবং প্রয়োজনে, সামাজিক সুরক্ষার অন্যান্য উপায়ে পরিপূরক, অধিকার এবং অনুকূল পারিশ্রমিকের অধিকার রয়েছে।
(৪) প্রত্যেকেরই তার স্বার্থরক্ষার জন্য ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের এবং যোগদানের অধিকার রয়েছে।
এই অধিকারের ফলে বিশ্বের যে কোন ব্যক্তি টাকা রোজগার হয় ও রাস্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামোতে যোগান দিতে পারা সমস্ত ধরণের কাজ করতে পারে।




 এবং২১শে জুন ২০১৯ সালে, জিনিভায় এক সম্মেলনে International Labour Organization (ILO) আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন ঘোষণা করে"সহিংসতা ও হয়রানির শিকার থেকে শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে ও তাদের পর্যবেক্ষণে রাখবে", আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন হল , রাষ্ট্রপুঞ্জ ( the United Nations) এর একটা শাখা যারা শ্রম সংক্রান্ত মানবাধিকার রক্ষণাবেক্ষণ করে।

যৌন কর্মকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন ২০১০ সালের আগেই স্বীকৃতি দিয়েছিল, শুধু স্বীকৃতি নয় তাদের সুরক্ষার সকল দাবি নিশ্চিত করেছিল। তাদের কাজের সাথে যেসব দালাল আছে, রোগশোক স্বাস্থ্য পরিষেবা ইত্যাদি নজরদারি করার জন্য সংশ্লিষ্ট রাস্ট্রকে দায়িত্ব দিয়েছে। ভারত রাস্ট্রপুঞ্জের সকল আদেশ মেনে চলবে বলে শপথ নিয়েছে বহুকাল আগেই।



 (ভারত জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ২৬ শে জুন, ১৯৪৫ সালে,আরো ৫০ টি দেশের মধ্যে জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষরকারী ভারত ছিল। ১৯৪৫সালের ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ অনুমোদনের পরে ভারত জাতিসংঘে যোগ দেয়।)

 ফলে ভারত  যৌনকর্মীদের সাথে সুরক্ষার বদলে বদমায়েসী করছে । ভারতের সাংসদরা চোর ডাকাত গুন্ডা। জুলুমবাজ। তার প্রত্যেকনেতা, ৯০ শতাংশ ভারতের সংবিধান মান্য করেনা। সুতরাং এখানে সুবিচার পাওয়া অনিশ্চিত। এখানে সুপ্রীম কোর্টের রায় পালটে পালটে যায়। কোন একটি অপরাধের বিচার বহুরকমের আইনে দেখা হয় নিরপেক্ষা বিচার আশা করা যায়না।







৭৮০ কোটির পৃথিবীতে শুধু বেশ্যালয় বলে নির্দিষ্ট এলাকায় প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি মহিলা বেশ্যাবৃত্তি করে খায়। মানে দেখা যায়, প্রতি ৬৫জন মহিলার মধ্যে ১জন মহিলা বেশ্যা বৃত্তিকে পছন্দ করে নিয়েছে।

একটা মিথ আছে, পুরাণো গল্প। যে মেয়েদের জোর করে বেশ্যালয়ে বিক্রী করে দেয়, তারা সারাজীবন ক্রীতদাসের মত কষ্টে দিন কাটায়।  গল্পটা আংশিক সত্য।এবং একসময়ে ছিল। এই ২০২০ সালে এই সত্য ঘটছে বিশ্বাস করা যাবেনা।
বেশ্যালয়ে জীবিকা করতে আসেঃ
১ঃ প্রথমজীবনে, প্রেম বিয়েতে ঠকে, কোন অপরিচিত পুরুষের মিষ্টি কথায় ভুলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া কিশোরি বা মহিলারা
২ঃ সাংসারিক অভাব অনটনে, দ্রুত আর্থিক সমস্যা সমাধানে পথ হিসাবে।
৩ঃ স্বাধীনতার স্বাদ কুড়াতে আসা মেয়েরা
 এই তিনটে শ্রেণি সাধারনতঃ আর্থিক অস্বচ্ছল পরিবারের নিম বিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের।
তাদের সুরক্ষা আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন বা International Labour Organization (ILO)
http://www.ilo.org/wcmsp5/groups/public/@ed_protect/@protrav/@ilo_aids/documents/genericdocument/wcms_185717.pdf

এই বেশ্যারা ও তাদের এজেন্ট বা দালালরা রাজপথ থেকে খদ্দের ধরে আনে। অধিকাংশই শ্রমজীবি মানুষ। ট্যাক্সী, বাস, লরীর ড্রাইভা্‌ লেদ কোম্পানীর শ্রমিক, মুটে মজুর, যাদের বাড়ি ও মহিলাসমস্যা আছে।


ভারতে বেশ্যাদের প্রথম শত্রু পুলিস। পুলিশ সপ্তাহে বা মাসোহারা না পেলেই বেশ্যাদের তুলে নিয়ে যায়। ২য় শত্রু গুন্ডা বদমায়েসরা। তারা পয়সা না দিয়ে সেক্স করে পালিয়ে যায়। ফলে বেশ্যারা অনেক বেসরকারির সংগঠনের মাধ্যমে বেশ্যা বৃত্তিকে বৈধ করতে চান।















ছবিগুলি বেশ্যা সংক্রান্ত দেশ বিদেশের মিডিয়া ইন্টারনেট থেকে নেওয়া। ছবিগুলি থেকে আপনার এই ধারণা জন্মাবে, যে মহিলাদের একটা জীবিকা যৌনকর্ম। যৌনকর্ম মোটেই কোনরকম শোষণ নয়। শ্রমিক হিসাবে, আপনার হাত পা মাথা পিঠ প্রভৃতি অংগ ব্যবহার বা শোষণ করতেই হয়। বেশ্যারা তাদের যোনি খাটিয়ে রোজগার করে। তারা যখন কোন অভিযোগ করেনা তখন আপনার মাথাব্যাথা বা সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ নেই।
 আর যৌন সংসর্গ বা পুরুষের যৌনসংগমের পরিষেবা দিয়ে বিশাল অংকের মহিলারা জীবিকা করেছে। সুতরাং আপনি কি করে বলেন পুরুষ ধর্ষক? বা পুরুষের ধর্ষণে ক্ষতিকারক দিক আছে।
 এতো গেল বেশ্যাদের কথা।

যৌনপরিষেবা আরো অনেকে দেয় 

১ঃ হাইরোডে, দীর্ঘ লম্বা রাজপথে, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উপজাতি শ্রেণির, কিছু মেয়ে, অল্প বয়েসী, তাদের সাথে যদিও বয়স্ক মহিলা কখনো পাহাড়াদার হিসাবে থাকে। তারা রাস্তার পাশে ধাবা জাতীয় হোটেলের কাছে, বা গ্যারেজের কাছে, লরী বিশ্রাম দেখলেই তাতে উঠে পড়ে। ড্রাইভারদের কেবিনে উঠে গান শোনায়। ড্রাইভার সেইসব মেয়েদের আদর করে, সারা অংগে আংগুল বুলায়। সেক্স করতে চাইলে, যদিও মেয়েরা দেয়না কিন্তু অনেক টাকার লোভ দেখালে যৌনকর্ম করে। পৃথিবীর সমস্ত মালবাহী লরীর পথে এগুলি থাকে।

২ঃ সাংসারিক অভাব অনটনে, অনেক যুবতী বৌ, টাকার জন্য পাড়ার কোন দেবরের সাথে লুকিয়ে যৌনকর্ম করে। নিশ্চিত হয়ে নেয় টাকা। এগুলি প্রত্যেক জায়গায় আছে।

৩ঃ সুগার ড্যাডি। অনেক যুবতী কিশোরি, জেঠু কাকুর সাথে গোপন সম্পর্ক তৈরি করে, উদ্দেশ্য, সে বিখ্যাত হতে চায়, পড়ার খরচ চালাতে চায়, বড়লোকি ভাব পোশাকে আশাকে আরামে প্রকাশ করতে চায়।
 নীচে একটা কবিতার শেষ অংশ পড়লে বুঝবেন, বর্তমান সময় কেমন

 একটি অসম পরকীয়া – মন্দাক্রান্তা সেন

......কাল যাব তোমার অফিসে
ঠিক ঠিক চারটে পঁচিশে
তারপর ভুল দিগ্বিদিক …

শহিদমিনারে উঠে গিয়ে
বলে দেব আকাশ ফাটিয়ে
ইন্দ্রকাকু আমার প্রেমিক।
 
৪ঃ হোটেলে রেস্তোঁরায়, বা পাড়াগায়ে কিছু মহিলা নাচ দেখাবার ছলে নিজেকে আস্তে আস্তে বিবস্ত্র করে মঞ্চে। এদের স্ট্রিপার বা পোল ড্যান্সার বলে। তারা রাতের মঞ্চ থেকে বিত্তশালী খদ্দের পেয়ে যায়। অনেকে শরীর দেয়না, নাচটুকুই করে। আর আমাদের পাড়া গায়ে যাত্রাপালার শেষে, একদল অল্পবয়েসী মহিলা আধা ন্যাংটো হয়ে দর্শককে যৌনকামুক করে তোলে । শেষে দেখা যায়, দর্শকেরা মঞ্চে উঠে সেই নাচনীদের ব্লাউজ টালছে, গোপন জায়গায় হাত দিচ্ছে। এক ভয়ঙ্কর কান্ড বেধে ফেলে।

৫ঃ সিনেমার অভিনেত্রী বা বিজ্ঞাপনের মডেল হবার উচ্চাশায় বহু কিশোরি, যুবতী দেহ দেয় পরিচালককে , ফটোগ্রাফারদের, আবার  নিজের স্টাটাস উচ্চবিত্তের মত বজায় রাখতে লুকিয়ে বেশ্যা বৃত্তি করে, বা এসকর্ট সার্ভিসে নাম লেখায় তারা প্রতি রাতে বা যখন একটা পরিষেবা দেয় তার জন্য ২০ হাজার থেকে লাখ অবদি রোজগার করে। এই মহিলা সংখাটা বিশাল। এছাড়া আছে কলগার্ল। ম্যাসাজ পার্লার। ফিজিও থেরাপী। সবচেয়ে যোনি বিক্রী করে আয় করে উঠতি সিনেমার অভিনেত্রীরা ও মডেলরা।
ইউটিউবে প্রচুর এর প্রমাণ আছে।যেমন  একটা লিংক https://youtu.be/sod8J_n049E



আমি এসব বলছি একটাই উদ্দেশ্যে। ধর্ষণ টা কি? ধর্ষণে কোন পুরুষ তার যৌনাংগ কোন মহিলার যোনিতে প্রবেশ করায়। কেউ অত্যন্ত ভালবাসা থেকে করে, কেউ প্রত্যাখ্যান হয়ে জোর করে করে, কেউ সংযম রাখতে পারেনা, বা নারী অংগ তার চোখে পড়ে মাথা ঘুরে গেছে। এর বাইরে কারুরই অন্য অভিপ্রায় থাকেনা। তো তার জন্য ধর্ষণ নিয়ে সারা পৃথিবী তোলপার করার কতটুকু যৌক্তিকতা আছে?

উপরে বেশ্যারা আধা বেশ্যারা পয়সার জন্য করে, জীবিকার জন্য করে, এবং যৌন সংগম একটা তুচ্ছ কাজ, ভেবে তারা পুরুষ টিকে ভালবাসায় ভরে দেয়।

 আপনি দেখেছেন মেয়েরাও তাদের যোনিতে পুরুষাঙ্গ ভরার জন্য পাগল হয়?
কিন্তু তাদের আচরণ বা প্রক্রিয়া ছেলেদের মতো নয়।

মহিলারা যৌন সংগম করে মড়ার মত চিৎ হয়ে শুয়ে। তারা আক্রমণাত্মক খেলা খেলেনা। স্বামীকে সব সময় উপরে তুলে ধর্ষণ করতে বলে। তারা নেতিবাচক  হয়ে উপভোগ করে।

বহু রাস্ট্র, তাদের আইনের বইয়ে লিখে রেখেছে, ধর্ষণ শুধু পুরুষেরাই করে মেয়েদের যোনি ভেদ করে। এবার মুশকিল হয়েছে মহিলা যদি কোন পুরুষকে ভয় দেখিয়ে তার সাথে সংগম করতে বাধ্য করে, তার ফল কি হবে?

অনেক মহিলা পুরুষকে ব্ল্যাক মেইল করে, ভয় দেখিয়ে, প্রলুব্ধ করে বাধ্য করে মহিলার সাথে সংগম করতে।তাদের যৌন পরিষেবা দিতে।


একটা মিথঃ পুরুষ সবসময় যৌনকর্মের জন্য প্রস্তুত থাকে।

এই মিথ বা প্রাচীন ধারণা ঠিক নয়।
পুরুষ তার যতই মনে হোক সে একটা মহিলার সাথে সেক্স করতে চায়, সে কিন্তু যার তার সাথে সেক্স করতে নারাজ। অন্তত, মহিলাকে দেখে  তার সেক্স করার বাসনা জাগতে হবে। তার মনে বাসা বেধে থাকে একটা সুন্দরী যৌনবতী অল্পবয়েসী মহিলার কথা। ফলে মহিলা মাত্রেই সে তার সাথে যৌন কর্ম করেনা। তাহলে তো ৪০ এর উপর বয়েসি বেশ্যারাও খদ্দের পেত। 
মোটামুটি চেহারা বাজে হলেও যুবতীকে বা বাজে শরীরের গঠন হলেও সুন্দরী মুখের যুবতীকে পুরুষ একদন্ডের সেক্সের জন্য নির্বাচন করতে পারে।
আমাদের সমাজে, ছোট থেকেই, পরাম্পরার একটা কথা আছে, কোন নারী তার কাছে যৌন কামনা করলে তাকে যৌন সংগমে সন্তোষ্ট করা পুরুষের কর্তব্য। সে রমণী সুন্দরী হোক বা না হোক। পুরুষ যদি সেই রমণীকে ফিরিয়ে দেয় তাহলে সে ক্লীব বলে পরিচিত হবে। সম্ভবত এই বার্তাটি সারা বিশ্বের পুরুষদের মধ্য ছড়িয়ে আছে। কোন মহিলাকে ফিরিয়ে দেওয়া মানে নপুংসকতা বা পুরুষত্বহীনতা প্রমাণ দেওয়া।

 ফলে কিছু মহিলার মনে হতে পারে কোন পুরুষকে দিয়ে সে জোর করে সেক্স করতে পারে, এবং তা গ্রহণযোগ্য।এবং পুরুষরা এর জন্য তাদের ধন্যবাদ দেবে। পুরুষরাও এটা মনে করতে পারে, তাকে জোর করে সেক্স করালে মনে কিছু করার নেই কারণ সে একজন পুরুষ। বীর্যবান।

 এখানে একটা কথা পরস্পর বিরোধী হয়ে যাচ্ছে।
 (men who are victimized by rape or sexual assault contradict hegemonic definitions of male sexuality that require men to be sexually potent, dominant, and in control) চিরাচরিত ধারণা যা ছিল, যে, পুরুষ শক্তিশালী, আধিপত্যবাদী ও সব কিছুর নিয়ন্ত্রক, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মহিলারা পুরুষের সাথে জোর করে না পারলেও আবেগ দিয়ে, ভয় দেখিয়ে, বা অন্য কোন উপায়ে, পুরুষকে মহিলার ক্ষমতার অধীনে আনতে পারে। এবং মহিলার পুরুষাংগ না থাকলেও পুরুষের পুরুষাংগকে যোনিতে প্রবেশ করাতে পারে।


অনেক মহিলা ৩০ এর নীচে বয়েস যাদের তারা অবিবাহিত থাকা কালীন অল্পবয়েসী ছেলেদের দিয়ে সেক্স করে সুখ অর্জন করে। 
এখানে মজা হল পুরুষকে কোন মহিলা একা ধর্ষণ করলে, সে এটাকে একটা সুযোগ ভাবে। সুখী ভাবে। যতক্ষণ না কোন মহিলা দল বেঁধে রেপ করছে। বা সে নিজেকে অসম্মানিত/ ঘৃণিত ভাবছে। (পুরুষের চোখ ও মন স্থির করে কোন মহিলার সাথে সে সহবাস করলে আনন্দিত হবে। যেকোন মহিলার সাথে সংগম ইচ্ছা জাগেনা)

 ঠিক, একই কাজ কোন পুরুষ করলে কোন কিশোরীর সাথে, যুবতীর সাথে, সে রাস্ট্র করে দেবে। সে এটাকে আক্রমণ ভাববে। বা কোন বিনিময়ে গিফট বা উপহার খুঁজবে।না পেলে সে প্রতিশোধ নেবার জন্য জানাজানি করে শাস্তি দেবে। অনেক সময় করেনা যদি তার কাছে এটা সুযোগ মনে হয়।

 দেখা যাচ্ছে একই কাজের দুই রকম ফল। তাহলে বিচার কি করা যাবে?

মহিলাদের ৫০ পেরিয়ে গেলে তাদের সেক্স করার বাসনা হারিয়ে ফেলে। তাদের মাসিক স্রাব বন্ধ হয়ে যায়। একবার স্রাব বন্ধ হলে সে আস্তে আস্তে নিজেকে যৌন সম্পর্শ থেকে , তার স্বামীর কাছ থেকে সরে আসবে। স্বামী সংগম চাইলে সে অশান্তি ও অপমান করবে। এই সময়টা পুরুষের পক্ষে ব্রম্মচারী হয়ে থাকা কষ্টের। মহিলার জন্য সে নিজের ইচ্ছাকে বন্দী কেন করবে? তত দিনে তার সন্তানেরা বড় হয়ে যায়। সমাজ তার ইচ্ছাকে নিন্দনীয় গণ্য করবে।
দেখা যাচ্ছে সমাজ তখন নারীর পক্ষে বা নারীবাদী হয়ে যাচ্ছে। পুরুষের তখন মৃত্যু অবধি যৌন ইচ্ছাকে দমিয়ে, বা স্নাঙ্ঘরে গিয়ে হস্তমৈথুন করে দিন কাটাতে হচ্ছে।
 
বিবাহিত মহিলারা আমাদের সমাজেপুরুষ নিগ্রহ করে নানা রকমে। খোলাখুলি অশ্রাব্য গালাগালি তো করেই। কখনো হাতাহাতি বা ঝাঁটা, খুন্তি নিয়ে আক্রমণ করে। তার মনের মতন না হলে, বা তার চাহিদার জিনিস না পেলে, তার উক্তি " টাকা রোজগার না করতে পারলে আমাকে বিয়ে করলি কেন? শুধু লাগাবার জন্য?"
 রাতে ঘুমাতে গেলে সে পাশ ফিরে শুয়ে থাকবে। তার সাথে তার স্বামীর যৌনসংগম হবেনা।। এভাবে চলবে দিনে পর দিন। পুরুষ তখন অন্য মহিলার খোঁজ করলে তখন হবে অশান্তি।

তো আমার শুরুতে যে কথা বলছিলাম। সহবাসের নাম ধর্ষণ। ধর্ষণ আশচর্য দুমুখো শব্দ।
বিবাহিত বৌ, যখন সে মর্জিমতো গ্রহন করে, তখন মধুচন্দ্রিমা, আর তার মর্জির উপর সে বলতে পারে, তার স্বামী তাকে ধর্ষণ করেছে।
তাহলে বুঝতে হবে, মহিলার মর্জি হল ধর্ষণ বা সহবাসের বিচারক। এই ব্যবস্থা একপেশে নারীর পক্ষে। অথচ পুরুষ তাকে বিয়ে করে আনে, তার যোনির উপর একচ্ছত্র অধিকার পাবার জন্য। তাকে খাওয়া পরা আশ্রয়, সখমেটানো ইত্যাদি তার ক্ষমতায় সবচেয়ে ভাল দেবে বলে।
দেখা যাচ্ছে। মহিলা বিয়ের চুক্তি মানছেনা। আইনত তাহলে কি করা যাবে?
এরকম অবস্থা থেকে পুরুষ চায় নারীকে ডিভোর্স দেওয়া। যে স্ত্রী তার স্বামীকে যৌনসংগম থেকে বঞ্চিত করে নানা অছিলায়, বা স্বামীর ইচ্ছার বিপরীতে সে অন্য কোথাও একদিন দুদিনের বেশি গিয়ে থাকে তাকে ডিভোর্স দেওয়ার আবেদন আদালতকে গ্রাহ্য করতে হবে। কোন বিয়ে একবার ফাটল ধরলে সেখানে সুখ হয়না। এসব দেখার জন্য পুরুষ কমিশন চাই।
এই পৃথিবী পুরুষের কাঁধে বসে আছে। পুরুষ ক্লান্ত হয়ে গেলে, তার সবচেয়ে বিশ্রাম ও ক্লান্তি নাশক হল নারীর যোনি। আর এই যোনি যদি সে বৈধভাবে উপায় করে প্রতারিত হয়, তা হলে তার প্রতি সমাজ চরম অবিচার করবে।







সুত্রঃ

১।https://www.un.org/en/universal-declaration-human-rights/

২।http://www.ilo.org/wcmsp5/groups/public/@ed_protect/@protrav/@ilo_aids/documents/genericdocument/wcms_185717.pdf

৩। https://www.nswp.org/sites/nswp.org/files/policy_brief_sex_work_as_work_nswp_-_2017.pdf

৪। https://timesofindia.indiatimes.com/entertainment/tamil/movies/photo-features/tamil-actresses-involved-in-sex-scandals/photostory/42261755.cms

৫। https://www.spokesman.com/stories/1997/jan/23/man-tortured-for-weeks-by-two-women-girlfriend/












Thursday, October 1, 2020

নারীবাদীদের অতিরঞ্জিত শব্দ ধর্ষণঃ ইতিহাসের অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব

 নারীবাদীদের অতিরঞ্জিত শব্দ ধর্ষণঃ ইতিহাসের অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব

আত্মজ উপাধ্যায় (২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২০)

উপরের ছবিটা একটা ওয়াটার পার্কের, ডেইলিমেল খবর মাধ্যম থেকে নেওয়া হয়েছে। 

এখানে দেখতে পাচ্ছেন, একটা বিশাল ডলফিন, একটি মেয়ের উপর ধর্ষণের জন্য চড়াও হয়েছে। প্রথমে মেয়েটি ভয় পেয়ে গেছিল, পরে হাসতে শুরু করেছে। ডলফিন মানুষের সাথে যৌনসংগম করতে পারে। এখানে ফ্যাক্ট হিসাবে ভুল নেই। 

১৯৬০ সালে নাসা একজন তরুণীর সাথে একটি ডলফিনের ইংলিশ ভাষা শেখাবার একটা প্রোগ্রাম করেছিল (NASA funded experiment in the 1960s) তরুণীর নাম Margaret Howe Lovatt, মহিলা তখন অল্প বয়সের। ডলফিনটি তার প্রেমে পড়ে যায়, ও তারা যৌনসংগম করে।

আরেকটি ঘটনা একটি মেয়ে ডলফিন, নাম ডলি, সে একজন পুরুষকে তার প্রতি আসক্ত করে পুরুষটির নাম Malcolm Brenner। তাদের প্রেম অনেকদিন টিঁকেছিল।

সুতরাং ওয়াটার পার্কে কোন ডলফিন কোন মহিলা দেখে ধর্ষণে উদ্যত হবেনা, এমন ভাবা যাবেনা। কারণ এরকম ডলফিনের রমণ ইচ্ছা মহিলাদের সাথে ইন্টারনেটে অনেক তথ্য আছে।

এবার ভাবুন কোন মহিলাকে এরকম ওয়াটার পার্কে ডলফিনের বদলে কোন যুবক বা পুরুষ যদি এরকম আচরণ মেয়েটির উপর করত তাহলে কি হত?

মেয়েটির থেকে অতি উৎসাহী/আগ্রহী ধারে কাছে থাকা লোকজনেরা বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠত। তারা তখন মজা করতনা। লাঠি সোটা চড় ঘুষি সহ অনবরত মার, প্রহার যুবকটির উপর পড়ত। হয়ত যুবকটি মারা যেত, না মারা গেলে তাকে জেলে নেওয়া হত। তাকে নিয়ে প্রচারে বেরিয়ে রাজনীতি চলত। সকল পুরুষ জাতিকে দানব, শয়তান অভিহিত করা হত।

ধর্ষণ শব্দটা কি? কত ঠুনকো ভন্ড শব্দ?

একজন লোক তার বিবাহিত বৌয়ের সাথে সংগম করল, যোনিভেদ করা লোকটার লিংগকে স্বর্গ মনে করেছিল বৌটা, পরের দিন একই আচরণ কে বৌটা বলল, ধর্ষণ। এবং তা প্রকাশ করতেই, মহিলা থেকে মিডিয়া, মহিলা কমিশন আন্দোলনে নামল।বৈবাহিক ধর্ষণ বলে চ্যাঁচাতে লাগল।



 তাহলে ধর্ষণটা কি মহিলার ইচ্ছা ও খেয়াল খুশি? তাদের একচেটিয়া কথা ও আইন?

একজন মহিলাকে আমি খাওয়াব পরাব, তার সকল দায়িত্ব আমার মাথার উপর চাপাব, এবং সে আমার সাথে যৌনসংগম করবে, এই চুক্তি প্রতিশ্রুতি দেখেই আমি বিয়ে করেছি। এর খেলাপ হলে আমি স্ত্রী রাখবোনা। আমারও মানবাধিকার আছে, তাকে অস্বীকার করে কোন আইন আমাকে বাধ্য করতে পারেনা বা স্ত্রীর অধিকার আমার উপর ফলাতে পারেনা। 

টাকা উপায় যে করে, সে-ই ঘরের, সংসারের মাস্টার বা মাথা। তার কথা না শুনে চললে সে তার স্ত্রীকে কেন খাওয়াবে পরাবে? একজন সাধারণ মানুষ দান-ছত্র খুলে বসেনি যে, একজন মহিলাকে সে খাওয়াবে পরাবে এমনি এমনি! তার চেয়ে বরং আমি একজন কাজের লোক রেখে দেব মাইনে দিয়ে আর বেশ্যা বাড়িতে গিয়ে বা যে আমার সাথে যৌন সংগম করবে সেই মহিলার সাথে আমার যৌন ইচ্ছা মেটাব। বিয়ে করার কি দরকার?

পুরুষের যৌন সংগমের ইচ্ছা প্রবল। এটা তার জৈবিক দিক। একজন ব্যক্তির জৈবিক দিক তার অখন্ড মানবাধিকার। একে কেউ খন্ডন করতে পারেনা। পারা উচিত নয়। সমাজ বা সরকার যতদিন তার এই বিষয় নিয়ে সমাধান আনছে ততদিন সমাজে বৈধ অবৈধ যৌন আগ্রাসন থাকবেই। পুরুষকে বলি করে মহিলার সুরক্ষা অনৈতিক ও অমানবিক।

এই প্রসংগে, সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি বিচারক মার্কন্ডেয় কাটজু বলেছেন, (former Supreme Court Judge and former Chairman of Press Council of India, Justice Markandey Katju has released a statement in which he has blamed unemployment for the rise of rape cases.'sex is a natural urge in men' and when men don't receive sex from marriage, because no one wants to marry unemployed men, there is 'bound to be an increase in rape') যৌনতা পুরুষের প্রাকৃতিক আকুতি, চাহিদা। সামাজিক নিয়মে বিয়ে থেকে সে আশা করে।


  

প্রকৃত পক্ষে, মহিলারা তাদের যোনিকে অস্ত্র বানিয়ে সমাজ ও রাস্ট্র শাসন করতে চাইছে। 'যৌনসংগম', বিশেষ করে আমি এই শব্দটাই বলতে চাইছি, নারীর যোনিতে পুরুষের লিংগ প্রবেশ করে পুরুষ বা নারীর যে আনন্দ হয়। বিশেষ করে পুরুষের, তা কোন ক্ষতিকারক নয়। বংশ বৃদ্ধির একমাত্র প্রজনন ক্ষেত্র, লক্ষ লক্ষ বছরের অভ্যাস। বিবর্তনের ইতিহাস। যৌন সংগম করে লোকের মৃত্যু হয়েছে আমি শুনিনি। বা মহিলারা যৌন সংগম কামনা করেনা এটা শুধু একচেটিয়া পুরুষের, এমন কিছুও নয়। মহিলারা যৌন সংগমের জন্য অনেক অভিসার থেকে অপরাধ অবধি করে। বা ধর্ষণ মহিলারাও করে। শিশু কিশোরদের সাথে বহু মহিলা যৌন কর্ম করে। এগুলি তো ঘটনা। ফলে এটাকে নিয়ে আলাদা করে দেখার জায়গা নেই। সুতরাং নারীরা যদি মনে করে তাদের যোনির বিনিময়ে তাদের আশা আকাঙ্খা পুরাবে, তা হলে ভুল করবে, আর যদি মনে করে যোনি বিনিময় না করে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা মেটাবে তা হলেও ভুল করবে। পুরুষের অধীন ছাড়া নারীর কোন গতি নেই। নারী জড় পদার্থবৎ অনেক ক্ষেত্রেই। 

 এখানে কোন প্রকার "যৌন শোষণ" sex exploitation  বা slavery/ দাসী শব্দের প্রয়োগ হতে পারেনা। আপনি যদি বিশ্বের মানুষে মানুষের সম্পর্ক, বা যোগাযোগের কারণ গুলি বিশ্লেষণ করেন দেখবেন আমরা সবাই কোননা কোনভাবে শোষিত হচ্ছি। নারী পুরুষ, নীচুতলা উপরিতলা। কোননা কোনভাবে দাসত্বের স্বীকার হচ্ছি। এবং শৃঙ্খলই জীবন। শৃঙ্খলের বাইরে কেউ নেই বা থাকতে পারেনা সামাজিক মানুষ।

 একজন ঘরের পুরুষকে, তার সংসারের কাছে দাসখৎ লিখে রাখতে হয়। নারী পুরুষ (স্বামী স্ত্রী) বাবা মা, ছেলে মেয়ে নিয়ে ৬ জনের পারিবারিক জীবন নির্বাহ একজন পুরুষকে দায় নিতে হচ্ছে। অদৃশ্য বাঁধনে সে হাঁফিয়ে উঠলেও পালিয়ে যেতে পারছেনা। সংসারের ৫ জন একটা পুরুষকে শোষণ করছেনা? পুরুষটা তার সখ আহ্লাদ ত্যাগ স্বীকার করে চুপ করে দিনের পর দিন চালিয়ে যাচ্ছেনা? মহিলারা যদি মনে করে তারা ঘরের দায় নেবে, পুরুষ ঘরে থাকবে, ঘর সামলাবে তাহলে উত্তম। কিন্তু এই সাহস পৃথিবীতে মহিলারা দেখাচ্ছে কি?

একজন শ্রমিক, সারাদিন সে তার শরীর খাটিয়ে একটানা ১০/১২ ঘন্টা পরিশ্রম করে। তার শরীরকে শোষণ হচ্ছেনা? শরীর শোষণ আর যোনি শোষণ কি আলাদা? শরীর শোষণ না করে কে বাঁচতে পারে। যারা বুদ্ধিজীবি, তারাও শরীর খাটিয়ে টাকা উপায় করে। ফলে আপনি আলাদা ভাবে বলতে পারবেননা  যৌন শোষণ। বরং নারীরা যৌনশোষণকে তাদের পেশা হিসাবে হাসি মুখে বেছে নিয়েছে।  ৭৬০ কোটি নরনারীর পৃথিবীতে প্রায় ৬ কোটি পেশাদারি বেশ্যা,  প্রায় প্রতি ৬৪জন মহিলার ১ জন বেশ্যা বৃত্তি করে। এবং তারা হাসিমুখে করে। আপনি তাদের শ্রমের কাজ দিলে তারা করতে ইচ্ছুক নয়। যদিওবা করে, তারা বেশ্যা বৃত্তি ছাড়তে রাজি নয়। তাদের যোনি দিয়ে যা কামায় তা বিশাল অংকের। শ্রম দিয়ে তা অর্জন করা যাবেনা এছাড়া কোন পুরুষকে লুটে নেবার অস্ত্র মিষ্টি কথা বা যোনির টোপ দেওয়া। মাদক ও বেশ্যা বৃত্তিতে বিশাল টাকা দাও মারা যায়। আয় করা যায়। মহিলারা ৭০ শতাংশ স্বেচ্ছায় বেশ্যা বৃত্তিতে আসে। একটা সার্ভে করা হয়েছিল (At least 1,000 sex workers were surveyed under an ongoing reproductive and sexual health project, funded by AmplifyChange and South India AIDS Action Programme (SIAAP). সেখানে পরিস্কার বলেছে, অশিক্ষা দারিদ্রতা থেকে মহিলারা বেশ্যাবৃত্তিতে আসে। ভারতে, মহিলারাই অশিক্ষিত বা দরিদ্র নয়। পুরুষরাও। সূত্র ২০২০ ফেব্রুয়ারী দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


 

কেন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে একজন বেশ্যা একরাতের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা রোজগার করে।


আপনি এরপরেও বলবেন এই বেশ্যাদের/ এসকর্ট মহিলাদের কেউ ক্রীতদাস বানিয়ে এখানে এনেছে? আর বেশ্যালয় চালায় একজন মহিলা। মহিলাদের কাছে যদি এই পেশা খারাপ হত, তা হলে মহিলারা বেশ্যালয়ের মালিক হতোনা।

Paid labour থেকে  Paid sex  মহিলাদের কাছে অনেক সুখের। নীচের ছবিটা দেখুন, একটা নর্দমার পাঁকে ডুবে একজন পুরুষ কাজ করছে। সে কাজ করে তার ঘরের মহিলাকে খাওয়াবার জন্য, পরাবার জন্য, আশ্রয় দেবার জন্য।কোন মহিলাকে দেখেছেন এমন কঠিন কাজ করতে? লোকটাকে সামাজিকভাবে, ব্যক্তিগত ভাবে, সবাই হেয় করে। আর এসব করে সে কত পয়সা পায়? তার চেয়ে মহিলারা বেশ্যা বৃত্তি কেন পছন্দ করে এবার বুঝুন।

বেশ্যাবৃত্তির ইতিবাচক বা নেতিবাচক আমি কিছুই বলছিনা। আমি শুধু আপনাকে তথ্য দেখাচ্ছি, যাতে আপনি সঠিক ভাবতে পারেন।

২০১৬র জুনে, টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসকর্ট সার্ভিস কোনভাবে সরকার বন্ধ করতে পারবেনা। নানা ধরণের ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসকর্ট সার্ভিস চলছে। এবং তারা বিজ্ঞাপনগুলিতে কোন অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেনা। তারা  'juicy lips'  'midnight princess'  'sterling bioscience' এসব বলে খদ্দের ডাকে। বা friendship' and 'company' বলে চালায়। দিল্লীতে এক দিন ব্যবসা ৫০ কোটি টাকার হয়, মুম্বাইতে ১০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়। এসকর্টরা সাধারণতঃ স্বচ্ছল ঘরের থেকে আসে, কেউ মডেল বা কেউ অভিনেত্রী, তারা শুটিং করে ২ হাজার টাকা পায় আর এসকর্ট করে ২০, থেকে ৪০ হাজার টাকা উপায় করে। আর যারা খদ্দের তারা সমাজের ভি আই পি, তাদের সাথে যোগাযোগ তৈরি অন্যভাবে হতনা, এসকর্ট সার্ভিসের মাধ্যমে হয়ে তারা অনেক লাভবান।

এবার আপনি ভাবুন একদিনে ২০ হাজার হলে একমাসে সে কত রোজগার করে।

এসব পড়ার পর আপনি বলবেন, বেশ্যা বৃত্তি কষ্টের কাজ? ধনী গরীব সব জায়গায়তেই আছে। আপনি নিজের পেশার প্রতি যত যত্নবান হবেন তত ফেরত মুনাফা আসবে। অনেক মহিলা রাস্তায় বা এদিক ওদিক গলিতে অন্ধকারে লাভবান হয়না বলে বেশ্যা বৃত্তি মন্দ এমন ধারণা করার কারণ নেই। সাধারণ মানুষ প্রতিদিন ১০/১২ঘন্টা একটানা শ্রম দেয়, বেশ্যারা সারা সপ্তাহে বড়জোর ১০ ঘন্টা কাজকরে। আর মজুরী ও সাধারণ শ্রমের চেয়ে বেশি।

মুম্বাই, দিল্লী , চেন্নাই ও কলকাতায় উইকিপিডিয়া অনুসারে(The  United Nations Programme on HIV and AIDS (UNAIDS) রিপোর্টে, এই চার জায়গায় প্রায় ৭ লক্ষের বেশি বেশ্যা আছে, এছাড়া আছে এসকর্ট ও কলগার্ল।  রোগ থেকে সাবধানতা সবাই সচেতন ভাবে করে।

২০১৭ এর র‍য়টারের  খবর অনুযায়ী Of an estimated 20 million commercial prostitutes in India, 16 million women and girls are victims of sex trafficking, according to campaigners.  ভারতে আরো অন্যান্য খবর মাধ্যমে সংখ্যাটা ২ কোটি থেকে ৩ কোটি (বেশ্যা) হতে পারে। আপনি দূর থেকে ভাববেন বেশ্যারা খুব কষ্টে আছে। একদিনে সে অনেক খদ্দের ধরে, ৩ থেকে ৬ জনকে প্রতিদিন সে যৌন পরিষেবা দেয়। এটা তার কাছে পেশা।  তার কাছে  মনে হয়না সে বাধ্য হয়ে বেশ্যা বৃত্তিতে এসেছে। রাস্তায় মুটে মজুর সেজে বা সব্জীর দোকান সাজিয়ে, বা পরিচারিকার কাজ করে যথেষ্ট টাকা অর্জন করা যায়না।


ইউনাইটেড নেশন যৌন কর্মকে কর্ম বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, ইন্টার নেশনাল লেবার অর্গানাইজেশন স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে আপনি আমি কে যৌন কর্মকে দোষারোপ করার? একমাত্র কিছু মুষ্টিমেয় মহিলা যারা নিজেদের নারীবাদী জাহির করে সমাজে নারীদের নষ্টামি শেখায়, ভুল পথে চালিত করে কেবল তারাই যৌন কর্মের বিরোধী। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখুন, বড় বড় নারীবাদীরা ব্যক্তিগত জীবনে অসামাজিক। যেমন নারীবাদী   সিমোন দ্য বোভোয়ার, সেকেন্ড সেক্স গ্রন্থের বিখ্যাত লেখিকা, তার ব্যক্তিগত জীবনে সে একজন যৌনশোষণকারী। এর চেয়ে বড় প্রমাণ আপনি কোথাও পাবেননা। ভারতে
Flavia Agnes ফ্লেবিয়া অ্যাগনেস, মহিলা উকিল, নারীবাদী যার জীবন জটিল, ডিভোর্সী, আরেকজন হলেন বৃন্দা গ্রোভার Vrinda Grover, এরকম অনেক নারীবাদী উকিল/ বুদ্ধিজীবি প্রমুখ মহিলা নিরপেক্ষ আইন চাননা। তারা চান মহিলারা নয় শুধু পুরুষদের ধর্ষণ আইনে জেলে ভরতে হবে। কোন gender-neutral ধর্ষণ আইন পাশ করা যাবেনা। ফৌজদারী আইন ৩৭৫  সংশোধন করা যাবেনা। তারা পুরুষ কমিশন তৈরিতেও বাধা দিচ্ছে। তাহলে বুঝুন মহিলারা জানে তারা অপরাধী, নিরপেক্ষ আইনে ধর্ষণের জন্য তাদেরও ফাঁসী হবে। সূত্রঃ মার্চ ৭, ২০১৩, টাইমস অফ ইন্ডিয়া  


মহিলার অনুমতি নিয়ে তার সাথে যৌন সংগম করতে হবে। না মানে "না" এটা করতে হবে, এই ছিল বৃন্দা গ্রোভারের যুক্তি। সুপ্রীম কোর্ট নাকচ করে দিয়েছে। কারণ আবেগে অনেক মহিলাই হ্যা বলতে গিয়ে না বলে। এটা মহিলাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট।

 ভারতের আইন প্রণয়ন ব্যবস্থাও ঠিক নয়। সাধারণ মানুষের অনুমতি ছাড়াই কতিপয় লোক আইন্সভায় বসে আইন বানায়। তারা সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি নন। যেমন বৃন্দা গ্রোভার, ফ্লয়াবিয়া অ্যাগনেস, তারা নিজেদের স্বার্থ বা পেশার স্বার্থ হিসাবে উকালতি করেন। প্রয়োজনে তারা সাদাকে কালো, কালোকে সাদা দেখান।

লিংগ বৈষম্যহীন আইন উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার ৪টি দেশে চালু। ভারতে ১৮ বছর অবধি ছেলেদের পসকো আইনে আনা হয়েছে। সেই জন্য ভারত জেন্ডার নিউট্রাল রেপ আইন চালু করবেনা। কিন্তু অনেক আইনজ্ঞরা, বিশিষ্ট জনেরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৮সালের জুলাই মাসের খবর, দ্য হিন্দু

আমার কাছে মনে হয়েছে, মহিলারা ধর্ষণ শব্দটার উপর অতিরঞ্জন, অতি ব্যবহার করে এটাকে বেলুনের মত ফাঁপা শব্দ বানিয়ে ফেলেছে। এবং একটা শ্রেণির মহিলা, (মহিলারা মানসিক স্তরে সবসময়ই বিবাদপ্রিয়, ফলে না বুঝেই, ঘটনার বাস্তবতা না স্বীকার করেই, নিজেকে ভিক্টিম বা বলি জাহির করে সহানুভূতি আদায় করতে চায়, ফলে নারীবাদী কথাটা- বিশেষ করে- নারী দুর্বল, বঞ্চিত, পুরুষের দ্বারা অত্যাচারিত ইত্যাদি গল্প বললে একবাক্যে সায় দেয় ) যারা নারীবাদী রাজনীতি করে, শহরে/আধাশহরে থাকে, কিছু পড়াশুনা জানে, ও নারীর অধিকার নিয়ে লড়াই করে, তারা তাদের পেশার স্বার্থে, একচেটিয়া বলতে বলতে ধর্ষণ শব্দটাকে দানব রূপ দিয়েছে। যেন তারা কোন বড় কোম্পানীর প্রোডাক্ট ক্যাম্পেন করে বিক্রী করছে।খবর কাগজে, টিভিতে, সেমিনারে, প্রদর্শনীতে, অ্যাটিচুড বা জিহ্বার ডগায় প্রকাশ করে পুরুষকে শয়তানের রুপ দিতে চাইছে। ভাবখানা এমন পুরুষহীন এক মহিলা জগত তারা তৈরি করবে।
কিন্তু বাস্তবিক, একজন মহিলারা শত্রু আরেকজন মহিলা, এবং সেই শত্রুকে নিকেশ করার জন্য মহিলাদের পুরুষ আশ্রয় অপরিহার্য। এই পৃথিবীর নির্মাতা ও তাকে সমস্ত কিছু সংরক্ষণ করা, সরবরাহ করা ইত্যাদি সবই পুরুষ করে। এই যে ঘরটিতে নারী নিরাপদে থাকে, ঘরটি পুরুষের তৈরি। এই যে খাবার সে খায়, শষ্য-দানা, এগুলি পুরুষের ঘাম ও শ্রম, এই যে কাপড়টি, অলঙ্কারগুলি এত সুন্দর সুন্দর নারী ব্যবহার করে তাকে সাজায় এগুলি পুরুষের তৈরি।সারাদিন পুরুষ প্রকৃতির বিরুদ্ধে পরিশ্রম করে অর্জন করে নারীর জন্য, এবং সে প্রত্যাশা করে নারী তাকে পরিশ্রমের ক্লান্ত দেহকে সেবা দেবে, তার যোনির অধিকার দেবে।
এই উপরোক্ত সত্যের বিকল্প নারীর কাছে কিছুই নেই।
পুরুষ বাস্তবিক, বংশ রক্ষার জন্য কিছুই ভাবেনি, ফলে তার নিজেকে আদিম কাল থেকে সেইভাবে বিকশিত করেনি, গর্ভাশয় তার পেটে তৈরি হয়নি। হয়েছে নারীর পেটে।
 বিবর্তন ধারার গোড়ায় যদি দেখি, যখন এককোষী প্রাণিরা নিজেদের দেহ ব্যবচ্ছেদ করে বংশ তৈরি করত, একটা নিশ্চিত সময় থেকে লিংগ বিকশিত হল।

ভারতে নারীরা বা পৃথিবীতে নারীরা প্রায় ১০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে বয়সী, ৪৫%শতাংশ ধর্ষক। এবং তা রিপোর্ট হয়না। মেয়েদের মাসিকস্রাব শুরু হওয়ার অনেক আগেই তাদের যৌন সংগম সম্পর্কে জ্ঞান এসে যায়। এবং তারা ছোটবেলার পুতুল সংসার থেকেই বিশদ্‌ শেখে। রান্নাবাড়ি, বাচ্চা খাওয়ানো পরানো ইত্যাদি। ফলে তাদের যোনির অনুভূতি তাদের ছেলেদের সাথে বা বাপের বয়েসী লোকের সাথে চুপি চুপি সম্পর্ক করতে উৎসাহী হয়।

একবার reddit.com এ ২০১২ সালে একটা বিষয় বলা হয়েছিল "Men who have been raped by women: can you tell us about what led to the assault and what came after it?" তখন প্রচুর ঘটনা প্রকাশ হয়েছিল মহিলারা কখন কিভাবে পুরুষ ধর্ষণ করে।

 একটা মেয়ে লিখছে, তার মায়ের বন্ধু ১৮ বছরের এক মহিলা, তার মামার বয়স ১৫, তার মামার ঘরে বসে  তার মায়ের বন্ধু তার মামার শরীর ঘষাঘষি শুরু করেছে। তার মামা বাধা দিলে, সে তাকে ব্ল্যাক মেইল করা শুরু করল। বল, আমি যা বলি তা না করলে আমি এখুনি চিৎকার করে লোক ডাকব, বলব আমাকে রেপ করছে। তার মামা ভয় পেয়ে যায়। ও সেইমত কাজ করে। মহিলারা পুরুষকে এমন ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে। আর সাধারণ সমাজ মহিলার কথা বিশ্বাস করে। এরকম ভিন্ন ভিন্ন প্রচুর ঘটনা প্রকাশ হয়েছিল।

 বাংলাদেশের ঢাকার একটি ঘটনা। এক রিক্সাচালক, ৬৫ বছর বয়েস, তাকে ১৩ বছরের এক মেয়ে নাছোর বান্দা বিয়ে করার জন্য পাগল। সংবাদ মাধ্যম নানা ভিডিও, টিভিতে হৈ হৈ পড়ে গেল। রিক্সা ওয়ালা বিয়ে করল। সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন ১৪ই মে, ২০২০

লন্ডনের গার্ডিয়ানের খবর ২০০৯ সালের। ৬৪ হাজার মহিলাশিশু যৌন নির্যাতন কারী।ভাবুন সারা পৃথিবীতে কেমন হবে সংখ্যাটা।

আমার এক বান্ধবী, তার প্রতিবেশি এক কলেজ ছাত্রীকে দেখেছে, তার.৭ শিশু পুত্রকে  একা ঘোরে বিছানায় শুয়ে বুকের স্তন খাওয়াচ্ছে। হাতে নাতে ধরা পড়ে যায় ও কলেজ ছাত্রীটিকে বকাবকি করে।

২০১৭ সালের জুন মাসে, গাজীপুর জেলার শাদিয়াবাদ থানার এলাকায় একটি ১৫ বছরের মেয়ে  ৯ বছরের ছেলের সাথে শারিরীক সম্পর্ক তৈরি করতে পারেনি বলে ছেলেটির পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে। ভাবুন এরকম ঘটনা সবসময় হয়, মিডিয়াতে খুব কম আসে। কারণ ছেলেদের কিছু হলে কোন প্রতিবাদ, মোম্বাতির মিছিল, মিডিয়া আগ্রহ পায়না। দেশটা নারীবাদী কিনা। কিন্তু এগুলি উত্তর না দিয়ে মহিলাদের উত্তর কিভাবে আশা করা যায়?

আমার রচনা আরো দীর্ঘায়িত করা যায়। কিন্তু আপনার কান আছেতো? 

 এতসব জেনে আমার মনে হয়েছে, ধর্ষণ নারীবাদীদের কাছে এক খেলা, যোনি রাজনীতি।  এর বাইরে কিছু নয় তাই এর প্রচার অতিরঞ্জিত করে, মিথ্যা গল্প বানিয়ে বানিয়ে সমাজকে তিক্ত করে দিয়েছে। নারীবাদ এক ধ্বংসাত্মক রাজনীতি।

 বহু এন জি ও আছে, যারা নারী ধর্ষণের গল্প লিখে, প্রচার করে টাকা পায়। তাই এই বিষয়ের প্রচার বেশি। পুরুষ ধর্ষণ হলে প্রচার হয়না।

Sunday, August 30, 2020

The Sky has only one seat for the ruler sun.

 by Albert Ashok


There are no two suns or two moons in the sky.
There have never been two suns or two moons in the sky.
In a state, country, there is one seat for a  president or one seat for a prime minister. An office may have two partners, but only one is in performance or leadership or has responsibilities. Many people may join and help in any work, take part but the work is under the command of one person. So, the credit of the whole work about fame or notoriety goes to one who performs, takes responsibilities. Then how two people in the human family will be equal? On what grounds? Men and women have never been equal in any respect
 Men have shaped the world, men have carried it for so long. So, this world should be under his dominion.

 In the case of gender equality, we are talking about men and women being not identical in value. We must keep it in mind, it is fair to say that men and women are not the same, identical. We certainly are not physically the same. We are not emotionally the same and many other areas. We are different,so, how  we become equal in value.

You go to market, ask anybody in the labour department, talent department, who has more value in the work field?  You will get the answer

 


আকাশে কখনো দুটি সূর্য বা দুটি চন্দ্র থাকেনা।
একটা রাস্ট্রে, একজন রাস্ট্রপতি বা একজন প্রধান মন্ত্রী  থাকে। একটা অফিসে দুজন অংশীদার থাকতে পারে, কিন্তু কর্মক্ষমতায়, বা নেতৃত্বতায় একজনই হয়। কোন কাজে অনেকেই সাহায্য করে, অংশ নেয় কিন্তু কাজটা একজনের অধীনে হয়। সেইজনই পুরো কাজটার যশ বা বদনাম পায়। তাহলে মানুষের পরিবারে দুজন সমান হবে? কোন যুক্তিতে?
 পৃথিবীটার রূপ সৃষ্টি করেছে পুরুষ, তাকে এতদিন চালিয়ে এনেছে পুরুষ। এই পৃথিবীটা তারই অধীনে থাকবে।
নরনারী কোনদিনই কোন ভাবে সমান ছিলনা। সমান হবেনা

লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে, আমরা পুরুষ এবং মহিলাদের মূল্য হিসাবে অভিন্ন না হওয়ার বিষয়ে কথা বলছি। আমাদের অবশ্যই এটি মাথায় রাখতে হবে, এটা বলা ঠিক যে পুরুষ এবং মহিলা এক নয়, ভিন্ন। আমরা অবশ্যই শারীরিকভাবে এক নই। আমরা আবেগগতভাবে এক নই এবং অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রেও এক নই। আমরা আলাদা, সুতরাং, কিভাবে আ্মাদের মান সমান হয়।

আপনি বাজারে যান, শ্রম বিভাগ, প্রতিভা বিভাগের কাউকে জিজ্ঞাসা করুন, কাজের ক্ষেত্রে কার বেশি মূল্য আছে? আপনি উত্তর পাবেন।


Women are not equal with men, that's sure. When the woman is in danger she always looks to the man for help. We are superior by nature. The black or white woman needn't worry in life because the world is ruled by the white man.

 

 

Photobucket
In collaboration with
(R A W Foundation) kolkata, Holds an Exhibition of paintings
'CONSTRUCTION OF IMAGES'
focusing some new talented painters and sculptures
~~~~~~***~~~~~~
ON THIS OCCASION
You are cordially invited
at
Birla Academy of Art & Culture
108-109 Southern Avenue, Kolkata - 700029
From 20th may to 25th May 2008
Time : 3p.m. to 8p.m.


Photobucket
Mr. Sunil Gangopadhaya
(Sahitya Academy Chief, India,Writer)
has consented to inaugurate and be a part of this occasion.
~~~

A host of famous personalities/ celebrities and dignitaries will grace this occasion.
Mr. Bijon Chowdhury (Painter), Mr. Hari Mohan Bagli (Teacher in charge, Indian College of Arts & Draftsmanship), Dr. Anjali Sengupta ( Vice president , Academy of Fine Arts), Mr. Jahar Dasgupta (Vice President , Academy of Fine Arts), Mr. Prokash Karmakar (Painter), Mr. Subrata Chowdhury ( Artist), Mr. Anup Roy (Artist) , Mr. Debashish Deb (Artist), Dr. L.N.Pachori ( Ex. Professor Rabindra Bharati University), Mr. Bimal Kar ( Principal, Govt. Art College, Tripura), Mr. Shasthipada Chattopadhya (Writer), Dr. Anish Deb.( Writer & Professor of Physics), Mr. Siddharta Singh ( Writer), Mr. Utpal Das (Propriter -Indo Friends Agency), Mr. K. L. Tamta (I.G . North Bengal Police) K.L. Maity (DSP,Kolkata Police), Mr. Nabendu Chatterjee (Film Director), Mr. Adish Dhar (IRS), Mr. Rajeev Ghosh ( Technical Head Lafarge), Mrs. Gitanjali Satpathy (N.G.O.), Mr. Jagabandhu Kundu (Editor –Sahitya Setu), Mr. Nandadulal Roy choudhury (Writer), Mr. Arunava Dutta ( Secretary , Midnapore Art College), Mr. Sushanta Ghosh (Principal, Midnapore Art College), and many more guests will join this occasion.)


Photobucket

Photobucket

Photobucket


Photobucket



Photobucket



Photobucket

Photobucket


Photobucket

Photobucket

Photobucket


Photobucket
*********~~~~~~~~~
I am here to present the works of my students, who cherish a dream to become an artist, leaving all other attractive profession and occupation and ease of life behind, before all respected dignitaries and commons. Some of my students live far away from my house, they board a train early in the morning and reach my house spending about 5 hours, and returning home at night spending again 5 hours from the evening after a 5 hour long class is over . They could have enjoyed life by making merry and involving with other sorts of activities, But they did not opt for, they were regular in their aim. They are doing it diligently and with great perseverance.
I am overwhelmed by their devotion of Art. So, I decided to show their works of Art and ‘construction of their imaginary images’ to the people of our society. That is why I have invited all the respected people from different professions and occupation to be present here and share this concern that ‘we shall back all efforts for a good cause’. Through this process I want to honour and show my respect also to those people, who strives hard for a better life, art and culture, may be we do not know them being stuck in our daily routine and duties.
I have exhibited here some of my colour drawings on canvases to share my association with my students, In my life, I had less opportunities to construct my images and expose what I longed / dreamed, what I thought, and how I have been all my life. I wished I could have made it big! But I failed. This failure corrodes my lungs every day…I am optimistic that my students would carry my thought and succeed in life.
We (most people in our country) are not affluent in our life, even most talent have no economical support to give their ideas, arts a vent or an outlet. So, I bear this sorrow with my countrymen. and salute those who top up all barriers and succeed in the final hurdle race of life. Thanks to everyone involved in this Exhibition.
Albert Ashok



We on behalf of 'Rainbow Artists and writers foundation' express our gratefulness to the people who has extended their help for this exhibition. Thank you
~~~~

পুরুষ প্রলোভিত পোশাকে মহিলারা অন্য মহিলাদের ধর্ষণের শিকার বানানঃ একটা সমীক্ষা 'মহিলা সংস্কৃতি'

  আত্মজ উপাধ্যায়   ( ধর্ষণ সামাজিক অপরাধ, আরো অধিক অপরাধ তাদের যারা এই ধর্ষণে ইন্ধন যোগায়। 'ধর্ষণ'- এ পুরুষ যতটুকু না দোষী, তার বহুগ...